Posts

Muslim(মুসলিম)

afifa was watching tv , she loves to watch tv. her father is a imam in a masque suddenly she saw her fatehr came home with a beautiful woman . she and her mom was totally shocked! they both were wanted to know why her father need a new wife. Hi i am shearley marrie from bbc desk.. this is our story .. muslim woman are not capable to say anything if there husband marry another lady! ২০২৩,ইংল্যান্ডের ম্যা্ন চেস্টারে বসে আফিফা এবং তার মা কাউচে বসা দেখ লেন এই কাহিনি। তিনি রীতিমত বিরক্ত বিবিসির এই খবরে আর আফিফার দিকে তিনি তাকিয়ে আছেন সে কি বলে । আফিফা কিছুই না বলে তার ঘরে চলে যায় এতে আফিফার মা আরো বিরক্ত হন । তিনি বুঝতে চাইছেন তার মেয়ে কি এই ব্যাপারে কিছুই বলবে না। আসলে ভিডিও টা একটা বানানো , আফিফা এবং তার মা এবং তাদের এক ভাই বর্ত মানে ম্যান চেস্টারে থাকে। বিবিসির এই বার্তা আজ থেকে ৩০/৪০ বছর আগের। সব চেয়ে অবাক করা ব্যাপার হল আফিফার এই ভিডিও টা করা হয় অন্যত্র বসে যখন তার বাবা আরেক বিয়ে করে সময় তখন ৭০ এর দশক , আফিফার বাবা বিহারি মা বাংগালি। আর এই ভিডিও করেছিল তার এক আত্নীয় যে কিনা আমেরিক...

dipaboli

এই দিপু এই দিপু আরে উঠ আজ তো দীপা বলি। সকাল থেকেই হাকডাক , জগন্নাথ মন্দিরে আজকে পুজো দিতে যেতে হবে। সবাই উঠে স্নান করেই দৌড়ে যেতে শুরু করল। শ্রী হরিদাশ চন্দ্র এর বাড়িতে আজকে অনেক তাড়াহুড়ো চলে , সবাই ব্যস্ত। কারন আজ দীপাবলি। দীপ জবালানো থেকে শুরু করে নানান কর্ম যজ্ঞ, পাশের গ্রাম মোস লেম পুর। সেইখানের মুসল মান পাড়ার লোক জন আসে দেখতে পুজা। সবাই খুব আনন্দে আছে আজকে। সেজেছে বেশ। মন্দিরে ব্রাক্ষন যখন মন্ত্র পাঠ করেই যায় সবাই মন দিয়ে শুনে পূজো দেয় কিন্ত দীপুর কোন খবর নেই তখনো। সে সবে ঘুম ছাড়িয়ে উঠে মায়ের দিকে তাকায়। দেখে মা রান্নার ঘরে ব্যস্ত। দীপাবলি সব চেয়ে আদরের মেয়ে। দীপাবলির বাবা একজন ব্যবসায়ি , বাড়ি কক্স বাজার সদরে, চট্টগ্রাম শহর থেকে দূরে এই ছোট্ট শহর কক্স বাজারে অনেকেই ব্যবসা করেন, দীপাবলির জন্মের পরে তার মা অনেক মানত করেই এই মেয়েরে জন্ম দিয়েছেন। কারন তারে মেয়ের শখ। দীপাবলি রা আট ভাইবোন । যাহোক আজ দীপাবলি। সে তার মায়ের নতুন শাড়ী কেড়ে নিয়ে পড়ে বসে আছে। এর মাঝে এই ব্রাক্ষন জাতের কাছাকাছি কেউ ঘেষে নাই কারন সমাজে তাদের নাম ডাক। অনেক মা নুষ আসেন দীপাবলির বাড়ীতে। সেদিন ও এসেছিল। কিন্ত... স...

রাতের পাখি

রাত ২টা। চট্টগ্রাম রেল এলাকা। ঘুটঘুটে আধার। কারও পক্ষেই এর ভেতর দিয়ে গিয়ে বাসা পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব না। সেই মুহুর্তে কিচছু না দেখা যাওয়া অন্ধ কারে হঠাত কেউ যেন চেপে ধরে আসলাম সাহেব কে । ছুরি ধরে সব নিয়ে যায়। আসলাম সাহেব সউদি আরব থেকে আজকের রাতের ফ্লাইটে দেশে এসেছেন তার বাড়ি চট্টগ্রাম এ। তিনি আরবি মেয়ে বিয়ে করে সউদি সেটেল্ড। আবার দেশেও উনার এক বউ আছেন। যাহোক এই মুহুর্তে তার যা খোয়া গেল এর জন্য তিনি মোটেও প্রস্তু্ত ছিলেন না । রীতি মত খাস চাটগাইয়া ভাষায় যত গালি আছে সব দিলেন। তিনি এই বারে দেশে এসে রেলে চড়ার কারন তিনি শুনেছেন দেশে রেল এর ব্যাপক উন্নয়ন করা হয়েছে তাই তিনি ও দেখতে চেয়েছেন কেমন হল উন্নতি। পুরাই আরবি তে ও কিছুক্ষন গালি দিলেন । এরপর তার ভেতর পকেট এর থেকে চশমা আর টাকা বের করে কো ন মতে বাসায় ফেরেন । বাসায় ফিরে এসে নিজের পুরান বউকে দিলেন গালি মানে আসার পর থেকেই গালিই চলছে ব্ৃষ্টির মত থামা থামি নাই। কিছুক্ষন আরবি ভাষায় আর কিচছুক্ষন বাংলায় আবার কতক্ষন বাঙ্গআরবিও চলে বাংলিশ এর মত। এরকম গালি কে কাউন্টার দিতে হঠাত উনার ৮ বছরের পুত্র হামিদ কায়সার আরবি তেই বাপকে উত্তর দিতে শুরু করে। আসল...

নামহীনা

কি লিখব জানিনা, বুঝাতেও পারব না আমি আসলে কিভাবে ভাল বাসি তোমাকে। আমি শুধুই জানি আমার ভাল বাসা আর আমার অসুস্থতা এই দুইয়ের মাঝে যে কোন একটা বেছে নিতে হবে। জানিনা আমি তোমাকে কতটা পরম মমতায় ভেবেছি।আমি জানিনা তোমাকে কতবার ভুলে যেতে চেয়েও ভুলে যাইনি। আমি শুধুই জানি আমিমতোমাকে ভাল বাসি।আমার শুধুই জানা আছে আমাদের মাঝে একটি অদৃশ্য বন্ধন আছে। আমি শুধুই তাকিয়ে থাকি জানালার ফাক দিয়ে যে কবে আমি সুস্থ হয়ে যাব আর তোমার সাথে একবার দেখা করতে পারব।আমি অনেক ভীতু।আমার এই ভীতু মন যেন প্রতিদিন তোমাকে খুজে বেড়ায় আর তোমার জন্য কাদতে থাকে। আমি যে সাহস দেখাই এর পিছনে অন্যতম কারন হল আমার শুধু মাত্র বেচে থাকতে ইচ্ছে করছে তোমার জন্য। চিঠির উপরে বা নিচে কোন নাম নাই। নার্স আসিফা এই মুহুর্তে যে লাউঞ্জের সামনে আছে সেই লাউঞ্জের সামনের দিক থেকেই দেখা যাচ্ছে সেই মেয়েকে। আদৃতা ওর নাম। বেশ কিছুদিন হল এই হস পিটালে উঠেছে। নিউইয়র্ক শহর থেকে একটু দূরে এই পাগলা গারদে এসে উপস্থিত সে এখন। আদৃতার হাল্কা গড়ন আর তার চাহনি দেখার মতন একবার কেউ দেখলে তা ভুলে না কেউই। আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে আদৃতা, হঠাৎ নার্স চিতকার করে উঠে বলে come b...

ভাল থেকো আমার ভাল বাসা তোমার প্রেমিক দের নিয়ে পার্ট ২

আম্মা আমি এখন আমার লাইফ গুছাইতে চাই। আমাকে ছেড়ে দেন। আমার সবাধীনতা টুকু নিয়ে কেন আপ্নে এরকম করবেন? আম্মা আমি লেখিকা হতে চাই আমারে শুধু শুধু বিয়ে করতে বল্ বেন না। নাইমার কথায় তার মা মেয়ের গালে চড় দেন। মেয়ে হয়ে জন্মেছিস পরের ঘরে যাবার জন্য বিয়ের জন্য এইসব ছাই পাশ করে কি করতে পারবি? কত টাকা কামাই করবি? তার চেয়ে এই ছেলে ইঞ্জিনিয়ার তাকে আমার পছন্দ হয়েছে তুই একে বিয়ে কর। আম্মা আমি আপনার পা ধরি আমাকে বিষ দেন তাও আমি এরে বিয়ে করব না। আমাকে মানসিক ভাবে অত্যাচার ্করবেন না কে শুনে কার কথা মারের উপর মার চলে নাইমার উপর। তার দোষ সে নিজের পছন্দের কাউকে বিয়ে করবে আর নিজের সবাধীন মত কাজ করবে। আর পারে না নাইমা বিষ খেয়ে ফেলে তার মায়ের হাত থেকে বাচতে। সাথে সাথে থানা পুলিশ আর এম্বুলেন্স এসে হাজির । মা কে ধরে নিয়ে গেছে পারিবারিক নির্যাতনের জন্য। আর বাকি যারা ছিল তাদের ও জেরা করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে জেলে। এটা যদি ইউ এস এ বা উন্নত দেশ হত বিচার সাথে সাথে হত। কিন্ত ব্যাপার টা সেইরকম নয় এখানে বিচার হয় নাই মাকে ছাড়ান হল কারন তিনি বলেছেন আমার মেয়ে আমি তার ভাল চাই কিন্ত এই ভাল চাইতে গিয়ে তিনি মেয়েকে মরে যাবার দিকে...

ভালো থেকো আমার ভাল বাসা তোমার প্রেমিকা দের নিয়ে! পার্ট ১

বি:দ্র:চটগ্রাম শহরের উপকন্ঠে এর এই সত্য কাহিনি টি নেয়া হয়েছে এক উপজাতি মেয়ের প্রেমের কাহিনি অব লম্বন করে।  খাগড়াছড়ি এলাকার গ হীন অরন্য যেখানে শিক্ষার আলো আজো অনেক কম ছড়িয়েছে সেই এলাকার এক মেয়ে নাম সুপ্রিয়া মারমা। দেখতে আর ১০টা উপ জাতি মেয়ের মত সে নয়। অনেকটাই বাংগালি ধাচে গড়া চেহারায় রয়েছে অন্য রকম মায়া । তার ভুবন ভুলানো হাসি দেখে যে কেউই প্তন্ময় হতে পারে ।কিন্ত আজ তার অতি আনন্দের দিন । কিছুক্ষন পর তার পরীক্ষার রেজাল্ট  বের হবে আর সে এই আনন্দে খুশি মনে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর বাবার হাতে স্কুল পাশের সার্টিফিকেট থাকবে জেনে খুব গর্ব তার ।কারন হয়ত তার বংশে সেইই ১ম কোন পাব্লিক পরিক্ষায় অংশ নেয়া মেয়ে ।এজন্য একটু অহম ও আসছে  ।রেজাল্ট বোর্ডে টাংগানো হল। সুপ্রিয়া ১ম বিভাগে পাশ করেছে। তার অতি উতসাহি বাবা খুশিতে মেয়েকে জড়িয়ে ধরলেন । মেয়ে ও খুশি ।বাড়ি ফিরতে ফিরতে তারা ২জন এ অনেক গল্প করল আর মিষ্টি কিন ল বাড়ির জন্য।  এর পর আর কিছুই হল না। আনন্দ মাটিকরে  দিয়ে সুপ্রিয়ার লাশ  পাওয়া গেল পাহাড়ের দুরবর্তি স্থানে । লাশের সাথে একটা চির কুট। লেখা আছে প্রতারনার শাস্তি!  বিস্ময়ে ...

অনিন্দ্যের মায়া

তার চোখ জোড়া দেখে থাকার মতই... কিন্তু আমি তার প্রেমে পড়তে চাই নাই আর প্রেমে পড়ে তাকে হারাবার ইচ্ছে ও আমার ছিল না। কিন্তু আমার ভাল লাগা ভাল বাসা এইসব যেন তার কাছে তুচ্ছ হয়ে যায় কোন এক অজানা কারনেই।  আমি অনিন্দ্য চক্রবর্তি।পেশায় উকিল। পাশাপাশি ব্যবসাও করি। আমি অবিবাহিত। আজ আমি আপনাদের আমারই কাহিনি শোনাব। সময়টা ধ্রুন কোন এক বস ন্তের বিকেলে। আমি কলকাতা থেকে সবে বাংলাদেশে এসেছি মাসির বাড়ি বেড়াতে। মাসি আর তার পরিবার বাংলাদেশে থাকেন । আমার মায়ের বাড়ি বাংলাদেশে। মুন্সি গঞ্জে, প্রায় দূর্গা পুজোয় তাই বাংলাদেশে আমার আর আমার পরিবারের বেড়াতে যাওয়া হয়। আমি কলকাতায় থেকে গেলেও পারতাম সেই বছর কিন্তু আমার মায়ের ইচ্ছে বাঙালি মেয়ে ঘরের বউ করে আনবেন। কলকাতার মেয়েরা নাকি ঘর করার মত নয় তাই তিনি খাটিঁ বাঙালি মেয়ে খুজেঁ দেখছেন। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই সেবার পুজোর আগেই বেড়াতে যাওয়া। আমার মায়ের সব জায়গাতেই একটু বাড়াবাড়ি কিন্তু এই ব্যাপারে আমি কিছুই বলতে পারব না কারন আমার মা ভীষন কষ্টে আমাকে মানুষ করেছেন। বাবা মারা যাবার পর আমাদের যে পারিবারিক এসেট ছিল তা প্রায় নিলামে উঠে যেত যদি না মা দেখভালের জন্য নিজে কিছু ন...