Saturday, April 21, 2018

অনিন্দ্যের মায়া

তার চোখ জোড়া দেখে থাকার মতই... কিন্তু আমি তার প্রেমে পড়তে চাই নাই আর প্রেমে পড়ে তাকে হারাবার ইচ্ছে ও আমার ছিল না। কিন্তু আমার ভাল লাগা ভাল বাসা এইসব যেন তার কাছে তুচ্ছ হয়ে যায় কোন এক অজানা কারনেই।
 আমি অনিন্দ্য চক্রবর্তি।পেশায় উকিল। পাশাপাশি ব্যবসাও করি। আমি অবিবাহিত। আজ আমি আপনাদের আমারই কাহিনি শোনাব।
সময়টা ধ্রুন কোন এক বস ন্তের বিকেলে। আমি কলকাতা থেকে সবে বাংলাদেশে এসেছি মাসির বাড়ি বেড়াতে। মাসি আর তার পরিবার বাংলাদেশে থাকেন । আমার মায়ের বাড়ি বাংলাদেশে। মুন্সি গঞ্জে, প্রায় দূর্গা পুজোয় তাই বাংলাদেশে আমার আর আমার পরিবারের বেড়াতে যাওয়া হয়। আমি কলকাতায় থেকে গেলেও পারতাম সেই বছর কিন্তু আমার মায়ের ইচ্ছে বাঙালি মেয়ে ঘরের বউ করে আনবেন। কলকাতার মেয়েরা নাকি ঘর করার মত নয় তাই তিনি খাটিঁ বাঙালি মেয়ে খুজেঁ দেখছেন। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই সেবার পুজোর আগেই বেড়াতে যাওয়া। আমার মায়ের সব জায়গাতেই একটু বাড়াবাড়ি কিন্তু এই ব্যাপারে আমি কিছুই বলতে পারব না কারন আমার মা ভীষন কষ্টে আমাকে মানুষ করেছেন। বাবা মারা যাবার পর আমাদের যে পারিবারিক এসেট ছিল তা প্রায় নিলামে উঠে যেত যদি না মা দেখভালের জন্য নিজে কিছু না করতেন, বিধবা এক মহিলা সাথে ২টো সন্তান নিয়ে জীবন সং গ্রাম করে করে অল্প বয়সেই যেন বেশি বুড়ো হয়ে গেছেন। আমার ছোট এক্ টা বোন  আছে কলকাতায় রবিন্দ্র ভারতি তে পড়ছে। তার চোখে এই বয়সেই চশমা !! দেখে মনে হয় কত বড় বিদ্দান! অল্পে পেকে যাওয়া এই মেয়ে আমার বউ নিয়ে আমার চে স্বপ্ন দেখে বেশিই ......

ভাল থেকো আমার ভাল বাসা তোমার প্রেমিকা দের নিয়ে পার্ট ২

আম্মা আমি এখন আমার লাইফ গুছাইতে চাই। আমাকে ছেড়ে দেন। আমার সবাধীনতা টুকু নিয়ে কেন আপ্নে এরকম করবেন? আম্মা আমি লেখিকা হতে চাই আমারে শুধু শুধু ...