Thursday, December 10, 2015

না বলা কথা


কিছু না বলা কথা

চশমাটা খুলে জানালায় পাশে ৫০ উর্ধ  এক মহিলা দাড়িয়ে আছেন,  বাইরে কিছু ছেলেরা ফুটবল খেলছিল। মহিলার নাম আফসানা হক। তার ৩ ছেলে। সবাই বিদেশে থাকেন। স্বামী আজিজুল হক মারা গেছেন আজ ১২ বছর্। সেই থেকেই তিনি একাই ছেলেদের মানুষ করেছেন।আজ অনেক সৃতির মাঝে চোখের সামনে ভেসে উঠছে একটা সৃতি ভার্সিটি জীবনের সৃতি জা তাকে আজও কাঁদায়    


Sunday, December 6, 2015

কবিতার ভালোবাসা ......


কবিতার ভালোবাসা ...........

সময়টা ১৯৭৭-৭৮ সালের। পাহাড় ঘেরা  chittagong  এ পড়তে আসা অনেক চিকিৎসকের মত পাস করে সবে ইন্টার্ন শুরু করতে যাবেন ডক্টর হিমেল। পড়তে পড়তে হয়ত  মায়া বসে গেছে এই শহরের ...

বাকি সব দিনের মতই হাস্পাতালে রোগী  আর বইনিয়ে পড়ে থাকা এর সময় পেলে কিছু মেডিকেলি বন্ধু দের সাথে  গল্পে মশগুল থাকা এই ছিল জীবন। ভালই কাটছিল।
আরেকদিকে......... 

Saturday, December 5, 2015

একটি সকাল এবং এক টুকরো হাসি



একটি সকাল এবং এক টুকরো হাসি

বাসর রাতে মেয়েটি স্পষ্ট স্বরে জানিয়ে দেয় –
– এইযে শুনুন, আমি কিন্তু আপনাকে বিয়ে করতে চাইনি
রাহাত বেশ ভদ্র, মার্জিত ছেলে। হাসিমুখে জবাব দেয় –
– হ্যা, জানতাম।
– তো বিয়ে করলেন কেন?
– এমনি
– শুনুন, রাগাবেন না! এমনি কোন কিছু হয় না,
.
রাহাত কি বলবে ভেবে পায় না। বিয়েটা ওর মায়ের ইচ্ছেতেই হয়েছে। মায়ের ইচ্ছের ওপর না বলতে পারেনি। রাহাত চুপ করে থাকে। ইতোমধ্যে মেয়েটি রেগে নাকের ডগা আর মুখ টকটকে লাল করে বসে আছে।
– কি ব্যাপার! চুপ করে আছেন কেন? সোজাসুজি বলে দিচ্ছি, আমি আপনাকে ভালোবাসতে পারবো না! আর আপনি আমাকে মোটেও স্পর্শ করবেন না!
.

Thursday, December 3, 2015

ফেলে আসা কিছু কথা ( নিঃস্বার্থ প্রেম )

আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি একটি সত্যি কারের প্রেমের গল্প। যেটি ঘটেছিল আমার একজন বন্ধুর জীবনে। যদি আপনাদের ভাল লাগে। আশা করি এটি পড়ে আপনাদের ভাল লাগবে । এই গল্পটি আমার বন্ধু আমাকে নিজের মুখে বলেছে। যেভাবে গল্পটি আমার বন্ধু আমাকে বলেছিল ...............।।

আমি যখন ওমানে ছিলাম তখন একটা মেয়ের সাথে আমার ফ্রেন্ডশিপ হই। ফ্রেন্ডশিপটা হয়েছিল Facebook এ। মেয়েটা ও ওমানে থাকতো। মেয়েটার নাম ছিল তানিয়া। তানিয়া আমার কাছ থেকে ৪০০ মাইল দূরে থাকতো। ফ্রেন্ডশিপ হউয়ার পর থেকে ওর সাথে আমার প্রতিদিন চ্যাট হত। একদিন ও আমকে দেখা করতে বলল। আমি ও দেখা করলাম। যেদিন ওর সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম সেদিন ও একটি হলুদ রঙের জামা পড়েছিল। আর সেইদিনই তানিয়াকে আমার ভাল লেগে যাই। হইতবা আমাকে ও ওর ভাল লেগেছিল। সেদিন ও আমার কাছ থেকে আমার মোবাইল নাম্বার নেই। তারপর থেকে ওর সাথে আমার প্রায় ফোনে কথা হই। একদিন সে আমা্কে বলে ওর ভাল লাগার কথা , আমি ও বলে দিলাম । আর সেই থেকে শুরু হল আমাদের love story. ভালই চলছিল আমাদের ভালবাসার গল্প কাহিনি। একদিন 

ভাল থেকো আমার ভাল বাসা তোমার প্রেমিকা দের নিয়ে পার্ট ২

আম্মা আমি এখন আমার লাইফ গুছাইতে চাই। আমাকে ছেড়ে দেন। আমার সবাধীনতা টুকু নিয়ে কেন আপ্নে এরকম করবেন? আম্মা আমি লেখিকা হতে চাই আমারে শুধু শুধু ...