Posts

তোমাকেই পড়ে মনে

অনলাইনে বৃষ্টি লিখছিল, ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দেখে চমকে যায়। অনলাইনে ত অনেক মানুষ ই বন্ধু হয় আবার হারিয়ে যায়। কেননা অনলাইনে ফেসবুকে ফ্রেন্ড হলেও তারা আপন কেউই না। কিন্তু সেইদিন বৃষ্টির কেন যেন সেই রিকোয়েস্ট টা নিতে ইচ্ছে করল। নিল, সে দেখল ম্যান চেস্টার লেখা লোকেশান। অবাক হয় সে। এই লোক কে? ভাল করেচেক করল ১ম বার এর মত। দেখে একজন চিকিৎসক। ওকে। ফ্রেন্ড লিস্ট ও কত জনই থাকে থাকুক না।

আকাশের তারা

লাশ টা দূরে ফেলে দে, তাকিয়ে বলছে আরেফিন। তোদের কাজ এত ক্ষন লাগে ফেলে দে লাশ কেউ দেখে ফেল লে আর রক্ষা নাই। ৪জনে মিলে একটি ৭ বছরের মেয়েকে রেপ করে তার লাশ টা ফেলে দেয় মেঘ্ না নদী তে। লাশের গন্ধ ভেসে আসবে এই ভেবে সেখানে দেয় কর্পুর এর সাথে আরো কি যেন মিশিয়ে। ৭দিন এর দিন লাশ ভেসে উঠে। পুলিশের কাছে এই মুহুর্তে তেমন কোন রিপোর্ট নাই। একটা ৭ বচ্ছর এর মেয়েরে কে বা কারা লাশ বানিয়ে ফেলে দিয়ে গেছে কেউ জানে না। এরকম একটি অবস্থায় পুলিশ রিপোর্ট দেয় দুর্ঘটনা জনিত আত্ন হত্যা। আগস্ট মাসের ভর দুপুর বেলা।সবাই ঘুম। দুপুরের কাঠ ফাটা রোদ বিচ্ছিরি লাগে। প্রকৃতি যেন বিরুপ। যা তুমি করবে তা তুমি এই জন্মেই ফেরত পাবে। হঠাৎ ঘরের দরজায় পুলিশের কড়া নাড়ার শব্দ মনু চিৎকার দিয়ে বলে কিরে কে দরজা ধাক্কায়? পুলিশ অপর পাশ থেকে বেয় নেট দিয়ে খুচি য়ে দরজা ভেংগে ঘরে ঢুকে মনুর শার্টের কলার টেনে ধরে চিৎকার দিয়ে বলে হালার পুত জারজ সন্তান, একটি ৭ বছরের মেয়েরে ও ছাড় দিলি না হালা।তোর নিজের মেয়ের বয়স ও তো ৬ এখন। এই কথা শুনে মনুর চেহারা ফ্যাকাসে হয়ে গেছে ততক্ষণে। মনুর বউ তাকিয়ে আছে সবামির দিকে। লোক টা মদ খায় গাজা খায় এটা তারা জান ত কিন...

অচিন দেশ

চট্টগ্রাম শহর থেকে ৩ ঘন্টার পথ । আমরা বের হলাম বান্দরবানের দিকে যাবার জন্য । পথে তেমন সমস্যা হল না কিন্ত এক জায়গায় গিয়ে আমরা আটকে যাই , সেনাবাহিনির টহল দল আসেন আর আমাদের চেক করেন এর পরে আরেক কান্ড হঠাত মিম আর মিমি আপা চিৎকার শুরু করে আনন্দে ! তাদে মুখ চেপে ধরে আমি হাসনা বলে দেই এই দেখ এইখানে কিন্ত পাহাড়ি জংগি গোষ্ঠি আছে কোন কারনে যদি তোদের ধরে তাহলে বাচাতে আর্মি আসবে না কারন এই এলাকায় আর্মির চেয়ে এই পাহাড়িদের দাপট বেশি! আমার কথায় সায় দিল দুলাভাই মন্টু , মিমি আপার জামাই! মিম তখন চিল্লাই বলে কি বলছ তোম রা ! এত বছর পর দেশে আসলাম আর সবাধীন দেশ এ এই টা আবার কোন অচিন দেশ ?? আমরা ৩ জন তার দিকে তাকিয়ে আছি ফ্যাল ফ্যাল করে, দীর্ঘ ৩০ বছর পরে মিমি দেশে এসেছে তার জামাই আর পরিবারের সবাইকে নিয়ে ।আমেরিকার নাগরিক এখন মিমি কিন্ত দেশের প্রতি তার যে টান দেখলাম আমি তখন ভাবছিলাম আবু ভাই আসলেই মুক্তি যোদ্ধা ছিল এর জন্যই তার মেয়ে মিমি এরকম। মাত্র অল্প বয়সে ভাবিকে বিয়ে করে এনেছিল আবু ভাই আমাদের বাড়ীতে , চাচার ছেলে আবু ভাই সবার বড়, আম্মা অনেক রাগ করেছিল তার এই বিয়ের কারনে কারন আম্মা আমার সাথে আবু ভাইকে বিয়ে দি...

এক অসম্পুর্ন ভাল বাসা এবং

অনলাইনে বসে আছে তুবা, সে জানে আজকে তার একটা রাইটিং প্রতিযোগিতা আছে আর এটা লিখতে হবে ইংরেজিতে তাকে যা আসলেই কষ্ট কর । কারন বাংলাএর থেকে ভাল ইংরেজি জানা তার মত অনেক ছাত্রদের সমস্যা ! আর ইংরেজি ভাল জানা মানুষের যেন এই এলিট চিন্তা ভাব না হয়ে যায় যে ভাল কিছু করলাম আজকের প্রতিযোগিতায় তুবাকে ভাল করতেই হবে কাড়োণ আজকে সে বাংলাদেশ কে রিপ্রেজেন্ট করছে সুত রাং কোন ভুল করা যাবে না । হঠাত তার মনে হল ব্রিটিশ ইংলিশ জানা তান জিনা ম্যাম কে একটা ফোন দেই তিনি হয়ত ভাল বলতে পারবেন । ম্যাম আসলেই এক টা জিনিয়াস ! গড় গড় করে কেমন করে ইংরেজি বলেন মানে তাকায় থাক তে ইচ্ছে করে ! সে কল দেয় । ফোন ধরে নাই আবার ও কল দেয় এই বারো না , তুবার চেহারা তখন ইন্যরকম হয়ে যায় সে ভাবে আসলে ম্যাম কি আমার ফোন ধরবে? হঠাত রিপ্লাই আসে ,তুবা আমি একটু ব্যস্ত তুমি সন্ধেই কল দাও। ম্যাম ! তুবা ম্যাসেজ দেয় আজকে আমার একটা প্রতিযগিতা আছে ইংরেজিতে আপনি সাহায্য করুন । মেসেজ সিন হয় এবং তিনি ফোন দেন । হ্যা বল তুবা? কি জানতে চাও? তুবা জানায় তার আজকে একটা প্রতিযোগিতা আছে সে এখন কিভাবে কি করবে আর কি লিখবে জান তে চাইছে তুবা কিভাবে তাদের প্রশ্নের উত...

বিবাহিতা

আজ সকালে একটা গাড়ি এসেছে আমার বাসা উত্তরায় , গাড়িতে একটা অর্ধ মৃত ছেলে খুব হ্যান্ড সাম এবং এর সাথে দেখা যাচ্ছে আমার জামাই আবু আহমেদ ভুইয়া। জামাইকে নাকি নাম বলে ডাক দিতে নাই এই শিক্ষা আমার শাশুড়ি আম্মার । আমি আসলেই সেই চিন্তা করে দেখি নাই এখন পর্যন্ত তবে এর ভেতরে আমার জামাই আমার দিকে ইশারায় বুঝাতে চেষ্টা করছেন আমার আম্মার সামনে এই ভাবে ডাক দিবা না! কে শুনে কার কথা। ব্যাকডেটেড চিন্তা কে বাদ দিয়ে আমি তাকে জান বলে ডাক দেই! সে জিহবায় কামড় দেয় মেয়েদের মত! আমি তাকাই আছি! আমি কি করলাম! আমি ত হালাল উপায়ে বিয়ে করে কি ভুল করলাম! এর পরে শাশুড়ি আম্মার গো গো শব্দে বলতে শুনাচ্ছেন আমাকে এই সব বিদেশি শিক্ষায় শিক্ষিত মেয়ে বাড়ির বউ হবার উপযুক্ত ? বাবা তোরে আমি আগেই বলসিলাম এরকম ফার্স্ট মাইয়া বিয়া করিস না বাজান ,মান ইজ্জত কিচ্ছু থাকবে না। আমার জামাই মাথা নিচু করে হু বলে আর ভেতরে এসে হাসছে আর বলছে তোমার তো বেশ সাহস! সে মুহুর্তে আমি জিগেস করি আচ্ছা আমার কথা ছাড় অই যে অর্ধ মৃত একজন কে ধরে এনেছ অইটা কে ? সে জানায় তার এক বন্ধুর ভাই সুই সাইড করতে গিয়েছিল পুলিশ কেসের ভয়ে তারা এখানে আমার কাছে এসেছে সাহায্যর জন্য...

বঙ্গাসন—গুরুজী

Image
বইসে বইসে কি কর ? মহিলার দিকে তাকিয়ে বলে আজম সাহেব ,সারাদিন ত টিভির সামনে বসেই থাক কাজ কর্ম কিছু কর? আতিকা বেগম কোন উত্তর না দিয়ে রান্না ঘর থেকে এক টা বেলুন এনে জামাইকে দেখিয়ে বলছেন নিজের দিকে তাকিয়ে দেখ যে কি রকম হইস। আমি না হয় বসেই থাকি কিন্ত একটা ব্যায়াম করি নাম বঙ্গাসন ।নিজে যে ২৪ ঘন্টা ফোন আর ল্যাপ্টপে থাক এবং নড়া চড়া কর না আমি ত বেচে থাকব তুমি ই নাইই হই যাবা । শুনে আজম মিয়া চোখ লাল করে স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে আছেন , ও তুমি তাহলে চাও আমি মারা যাই?? স্ত্রী এক দম শান্ত ভাবে বলেন তুমি মারা যাও অই কথা কিন্তু বলিনি বলেছি চেয়ার এ বসে না থেকে একটু হাটা হাটি কর আর ঘুরা ফেরা কর যাতে মরে ভুত হয়ে আমার কাধে আসা না লাগে , আমি বাপু তোমার মউতের জন্য বসে থাকব না উলটা বিয়ে শাদি করব কারন একা থাকা আমার পক্ষে সম্ভব না। স্ত্রীর এহেন কথা শুনে তিনি যার পরনাই ক্ষেপে যান আসলে পুরুষ মানুষ এর ভাল বাসা রাগ দেখিয়েই প্রকাশ পায় এই টা বাঙ্গাল পুরুষের সবভাব কিন্তু আজকের কাহিনিরে যা দেখা গেল তাতে আজম সাহেব সন্দেহ করে বলছেন এর মানে তুমি কি কারো সাথে প্রেম করছ নাকি ? মুচকি হেসে আতিকা বলেন হ্যা করবই ত যদি না তুমি ...

কুয়াশা

শীতের রাত , আজম আর মালিকা দুই জন প্রেমিক প্রেমিকা এক সাথে পালিয়েছে বাড়ী ছেড়ে। কুয়াশা রাত। রাতের অন্ধকারে দৌড় দিয়ে যাচ্ছিল তারা হঠাত তারা একটা সাদা জিন দেখে যেটা মাঝ রাতে এক তাল গাছ থেকে আরেক তাল গাছে নিজের পা ছড়িয়ে ঘুম দিচ্ছিল মালিকার হাতে তাবিজ ছিল এর জন্য সে ভয় পাই নাই কিন্ত দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আজম আক্রান্ত হয়ে যায় এবং সকাল বেলা তাকে তাল গাছে পাওয়া যায়। গ্রামের এক দল কাঠুরে সকালে তাকে উদ্ধার করে সখিপুরা গ্রামে নিয়ে যায় এবং সেইখানে এই ঘটনা প্রকাশ পায় এবং আমি সেই যাত্রায় বেচে যাই কিন্ত এখন আজকে দুই বছর পর আমার বাসা তে এক লোক সাদা আলখাল্লা পড়া চলে আসছে। আমি সামিনা পেশায় শিক্ষিকা ,একটা হাই স্কুলে পড়াই। আমি আমার বাপের বাড়িতে থাকা কালিন এই ভয়ানক ঘটনার সম্মুখিন হয় তারা। এর পর এর ঘটনা আমরা আর কেউই জানিনাই ।আমরা গ্রাম থেকে ফেরার পরে শুনেছিলাম আজম পাগল হয়ে গেছে এবং তার চিকিৎসা চলছে আরেক দিকে মালিকা জানা নাই সে কই হারিয়েছে। আজকে আমার বাসায় এই অচেনা ব্যাক্তির আগমন আমাকে ভয় পাইয়ে দিলেও আমার বাড়ি ঘর বন্ধ আছে । যাদু করেও আমাকে কেউই ক্ষতি করতে পারবে না। তবু ভয় করছে ।একে সাথে নিয়ে আসছে আমার জামাই আবির...