Powered By Blogger

Sunday, July 12, 2020

ভাল থেকো আমার ভাল বাসা তোমার প্রেমিকা দের নিয়ে পার্ট ২

আম্মা আমি এখন আমার লাইফ গুছাইতে চাই। আমাকে ছেড়ে দেন। আমার সবাধীনতা টুকু নিয়ে কেন আপ্নে এরকম করবেন? আম্মা আমি লেখিকা হতে চাই আমারে শুধু শুধু বিয়ে করতে বল্ বেন না। নাইমার কথায় তার মা মেয়ের গালে চড় দেন। মেয়ে হয়ে জন্মেছিস পরের ঘরে যাবার জন্য বিয়ের জন্য এইসব ছাই পাশ করে কি করতে পারবি? কত টাকা কামাই করবি? তার চেয়ে এই ছেলে ইঞ্জিনিয়ার তাকে আমার পছন্দ হয়েছে তুই একে বিয়ে কর। আম্মা আমি আপনার পা ধরি আমাকে বিষ দেন তাও আমি এরে বিয়ে করব না। আমাকে মানসিক ভাবে অত্যাচার ্করবেন না কে শুনে কার কথা মারের উপর মার চলে নাইমার উপর। তার দোষ সে নিজের পছন্দের কাউকে বিয়ে করবে আর নিজের সবাধীন মত কাজ করবে। আর পারে না নাইমা বিষ খেয়ে ফেলে তার মায়ের হাত থেকে বাচতে। সাথে সাথে থানা পুলিশ আর এম্বুলেন্স এসে হাজির । মা কে ধরে নিয়ে গেছে পারিবারিক নির্যাতনের জন্য। আর বাকি যারা ছিল তাদের ও জেরা করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে জেলে। এটা যদি ইউ এস এ বা উন্নত দেশ হত বিচার সাথে সাথে হত। কিন্ত ব্যাপার টা সেইরকম নয় এখানে বিচার হয় নাই মাকে ছাড়ান হল কারন তিনি বলেছেন আমার মেয়ে আমি তার ভাল চাই কিন্ত এই ভাল চাইতে গিয়ে তিনি মেয়েকে মরে যাবার দিকে উ্দভুত কেন করলেন এই প্রশ্নের উত্তর তিনি সাংবাদিক দের দিতে পারে ্নাই। বাংলাদেশের অনেক মহিলা পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হন। প্রতি বছর নিজের মান সম্মানের খাতিরে এই ভাবে মেধাবি মেয়েরা নির্যাতিত হয়েই যাচ্ছেন দিনের পর দিন কিন্ত সামাজিক ভাবে যদি এদের বয় কট করা যেত তাহলে হয়ত বাংলাদেশের মেয়েদের আত্ন পরিচয় এর কিছু মুল্য দেয়া হত,সাংবাদিক টিভি চ্যানেলে বলছে। নাইমার মা ছাড়া পেল। কিন্ত নাইমা হাস পাতাল থেকে সোজা মর্গের দিকে । মারা গেছে। ডাক্তার এর ভাষ্য ছিল এত বেশি মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে যে সে এমন বিষ খেয়েছে যে যাতে বেচে না ফিরে! চিকিতসকের চোখে হতাশা। বুঝাই যাচ্ছে তিনি ্নাইমাকে বাচাতে যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন। নাইমার লাশ দাফন হল তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। তার মা কে আরো জেরার জন্য এর দুইদিন পর নিয়ে গেল পুলিশ। কেস টা ফিশি। তুমি কি বল জাহিদ? পুলিশ অফিসার আক্তার আলি বলছে ।স্যার কি যে বলেন প্রতিদিন যে পরিমান সুইসাইড কেস দেখি এর ভেতর এটা নরমাল। আপনি এর ভেতরে আবার রহস্য কি দেখলেন স্যার? জাহিদ তুমি কি মনে কর শুধু মাত্র মেয়েটা এই কারনে আত্নহত্যা করসে? আমার ত মনে হয় প্রেম ঘটিত কাহিনি আছে। স্যার, আজকালের বাচ্চারা এত সেন্সেটিভ হইসে যে অল্পতেই বিষ খায়। হুম। বুঝছি তুমি এটাকে সোজা ভাবে নিস কিন্ত একজন পুলিশের চোখ দিইয়ে দেখ সব ক্লিয়ার হবে। মা এর আচরন ও অসাভাবিক। আচ্ছা এই কেস কোন থানার ? বাড্ডা। জাহিদের উত্তর সাথে প্রশন কেন স্যার? আপ্নে কি এই কেস আবার আমাদের জন্য নিয়ে আসবেন কিনা? আক্তার আলি হাসি দিল। তার হাসি রহস্যময় হলেও জাহিদ স্যারের মনের কথা পড়ে ফেলেছে। সে মুখ কাল করে ফেলেছে। ১মাস ও হল না থানায় শান্তিতে আছে সে এই কেসের কারনে তাকে এখন দৌড়ের উপ্রে যেতে হবে আর আক্তার স্যার ত ঘুম হারাম করবেনই সাথে তারও। আরেকজনের কেস কেন স্যার নিজের কাধে নিবেন তার এটা জানা নাই ।মাঝে মাঝে তার স্যারের কান্ড কীর্তি দেখে চরম বিরক্ত লাগে কিন্ত কিছু বলা যাবে না। স্যারের হুকুম। প্রস্তুতি নিতে হবে । নাইমার ঘর। রং বেরঙ্গের জিনিসে ঠাসা। সেইখান থেকে এক্টা দায়েরি পায় পুলিশ। তারা সেটাকে নিয়ে যায় ইনভেস্টিগেশনের খাতিরে । সেখান থেকে তার কিছুই পায়নি তবে সাদা নীলের আকা ছবি আর অনেক গু্লো রঙ এর কম্বিনেশন এ আকা তার কিছু ছবি তারা পেয়েছে এটা কে তারা কিছুটা কাজের বলে মনে করছেন না কারন তার ডায়েরিতে লেখাজোকা কিছুই নাই। লাশের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এসে গেছে। লাশের গলায় ছিল তার দিয়া মারার চিনহ মারা যাবার আগ পর্যন্ত সে যে বাচার আশা করসে তা তার মায়ের অস্নগ্লগ্ন কথা বার্তায় স্পষ্ট। এই ব্যাপার গুলি নজরে আসছে পুলিশের । পুলিশ খুব চিন্তা করে করে এগুবে কারন ব্যাপার টা পারিবারি্রক। আমাদের দেশের মত দেশে পারিবারিক ভাবে কেউ নির্যাতিত হলে তার বিচার করা হয় না কারন এটাকে কেউ ব্যাপার বলে গন্য করে না। এই জন্য খুব সুক্ষ ভাবেই চিন্তা করতে হচ্ছে আরন লাশের উপর এ মারের চিনহ ছিল ।তাকে কিভাবে মারা হয়েছে আর এর জন্য কে দায়ি এটাই চিন্তার মা ছাড়া বাইরের কেউ কি ইনভ্লব আছে কিনা বামেয়েটাকে মানসিক ট্রমার ভেতরে ছিল নাকি যার জন্য সে এই কাজ করেছে তা ও দেখতেসে আসলে এটা মার্ডার নাকি আত্নহত্যা। suicide but it's influenced suicide আক্তার আলি এর কথা হল এটা। তার সাগ্রেদ ভাবছে স্যার এর মাথা কি খারাপ হল? সুইসাইড আব্র ইনফ্লুয়েনসড হয় কিভাবে ? জাহিদ তুমি তোমার সোর্স কে বলেছ কিছু এর ব্যাপারে জানার জন্য? জাহিদ মাথা নেড়ে জবাব দেয় স্যার যা জানা গেছে তা হল তাদের পারিবারিক কলহ ছিল কিন্ত সেটা ত সব ফ্যামিলিতে থাকে । আহ জাহিদ তুমি বেশি বেহইসাবি কথা বলছ কেন বুঝতে পারছ না যে এটা মার্ডারের কাছাকাছি ,ভিক্টিম এ্ম নি তেই আত্নহত্যার সিদ্ধান্ত নেয় নাই। আর এর বিচার হয় না আমাদের দেশে কারন আইন যেখানে রিয়েল মার্ডারের বিচার করে না সেখানে এই কেস ত বলেই আক্তার আলি ঘাড় ঘুরালেন। হঠাত তার মনে আস ল সাদা নীলের আঁকা ছবির কথা যা সে নাইমার রুমে দেখেছে। জাহিদ চল ।স্যার কই যাব? আবার নাইমার বাসায়। কিবলেন স্যার এত রাতে! জাহিদ পুলিশের রাত দিন বলে কিছু নাই চল। তারা দুইজনে মোট্র সাইকেল করে গেছে নাইমার মা দরজায় পুলিশ দেখে আবার আ্তঙ্কিত হয়ে উঠলেন আবার না জানি কি রকম প্রশ্নের মুখোমুখি হয়। জাহিদ আর আক্তার আলি সোজা নাইমার রুমে চলে যায়। আবার তারা ছবি গুলি দেখে আক্তার আলি কি যেন খুজঁছে কিন্ত কিছুই মিলে নাহ তারা ছবি গুলি ওয়াল থেকে নামায় আর দেখে রক্তের দাগ !চমকে উঠে তারা! একি! একি দেখছে! রক্ত! তারা দেয়াল ধাক্কা দেয় ভেতর থেকে বের হয় আরে্ক টা লাশ। থ খেয়ে যায় তারা আরসাথে সাথে যখন নাইমার মাকে ডাক তে যায় দেখে মহিলা পালিয়েছেন।তল্লাশি চলে সারা রাত বাড়ীটায় লাশ টাকে পাঠানো হয় পোস্ট মর্টেমএরজন্য।আমি জানিনা আফা এই লাশ কার ?মারের উপর মার চলে কিন্ত কিছুতেই সবীকার যায় না সে যে এই লাশ কার । পুলিশ এর এত্ত মার খেয়েও মহিলা কিছুতেই উত্তর দেয় না। এক মহিলা কন্সটেবল তাহ মিনা বলে স্যার আপ নি আমাকে চান্স দিন আমি এটা এর সাইজ করি।ঠিক আছে দেখ তুমি পার কিনা ? লাশ দেখস? না। উত্তরে বল্ল কন্সটেবল আজিজ। তাকিয়ে রইল কিছুক্ষণ। স্টার লাশের থেকে অদ্ভুত গন্ধ। কি বলছো? জি স্যার। লাশের থেকে অদ্ভুত গন্ধ বের হচছে। কি যেন একটা ওষুধ দেয়া আছে লাশের উপর। দেখ আবদুল আজিজ তুমি কিন্তু না বুঝে কথা বলিও না তাদের মা আর মেয়ের সম্পর্কে তুমি ইন ডিটেইলস না জানিয়া কথা বলতে যেও না। লাশটা পড়ে আছে। ন্যাপথলিন দেয়া। আব দুল আজিজ যত বড় অফিসার ই হোক আজকে তার কইলজায় যেন ভয় ভর করেছে। রাতই ভর এই লাশ পাহারা দেয়া লাগবে তাকে।সাথে আরেক কন্সটেবল আছে কিন্ত সে ন্যাপথলিন এর গন্ধে না থাক তে পেরে সরে গেছে। শালা বদের বাচ্চা আব্দুল আজিজ গালি দিল। কিন্ত তার ভেতরের ধুক পুকানি কিছুতেই যাচ্ছে নাহ।তার প্রতিটি মিনিট মনে হচ্ছে এই বুঝি লাশটা উঠেই তাকে চেপে ধরে। অবাক হয় আব্দুল আজিজ একটা জিনিস দেখে যে লাশের গায়ে গয়না!?! আজ কাল ত বহু কাহিনি দেখছে সে তার মন খালি আন চান করছে আসলে কি কাহিনি। সে তার মনের ভয় দূর করে লাশের কাছে যায় হঠাত পেছন থেকে কে এক জন তাকে জাপ্টে ধরে।আব্দুল চিৎকার দিয়ে উঠে আল্লাহ বাচাও বাচাও করে। জান বাচাতে দেয় ধাক্কা। ধাক্কা খেয়ে তার কন্সটেবল আরিফ পড়ে যায় পেছনে থাকা ডোমের উপর পড়েই চিতকার দেয় বাচাও বাচাও। দুজনের চিল্লানি তে ততক্ষনে আশ পাশের লোক জন জোড়ো হয়। লাশ পড়ে আছে তার মতই। কিন্ত জীবিত মানুষের এই কীর্তি দেখে আক্তার আলির মেজাজ খারাপ হয়ে গেল।এই সাহস নিয়ে এরা কিভাবে পুলিশ হল তার মাথায় আসছে না you fool stupid এক ধমক দিলেন। সব চুপ। স্যার স্যার আসলে অন্ধ কার ছিল।অহ শাট আপ। আমার আর কিচ্ছু বুঝার বাকি নাই তোমার

2 comments:

  1. nice article admin. please visit our aznews website for more new update news.

    ReplyDelete
  2. Thanks share my blog in your site. people should know our families situation in coronatime

    ReplyDelete

ভাল থেকো আমার ভাল বাসা তোমার প্রেমিকা দের নিয়ে পার্ট ২

আম্মা আমি এখন আমার লাইফ গুছাইতে চাই। আমাকে ছেড়ে দেন। আমার সবাধীনতা টুকু নিয়ে কেন আপ্নে এরকম করবেন? আম্মা আমি লেখিকা হতে চাই আমারে শুধু শুধু ...