Posts

ভালো থেকো আমার ভাল বাসা তোমার প্রেমিকা দের নিয়ে! পার্ট ১

বি:দ্র:চটগ্রাম শহরের উপকন্ঠে এর এই সত্য কাহিনি টি নেয়া হয়েছে এক উপজাতি মেয়ের প্রেমের কাহিনি অব লম্বন করে।  খাগড়াছড়ি এলাকার গ হীন অরন্য যেখানে শিক্ষার আলো আজো অনেক কম ছড়িয়েছে সেই এলাকার এক মেয়ে নাম সুপ্রিয়া মারমা। দেখতে আর ১০টা উপ জাতি মেয়ের মত সে নয়। অনেকটাই বাংগালি ধাচে গড়া চেহারায় রয়েছে অন্য রকম মায়া । তার ভুবন ভুলানো হাসি দেখে যে কেউই প্তন্ময় হতে পারে ।কিন্ত আজ তার অতি আনন্দের দিন । কিছুক্ষন পর তার পরীক্ষার রেজাল্ট  বের হবে আর সে এই আনন্দে খুশি মনে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর বাবার হাতে স্কুল পাশের সার্টিফিকেট থাকবে জেনে খুব গর্ব তার ।কারন হয়ত তার বংশে সেইই ১ম কোন পাব্লিক পরিক্ষায় অংশ নেয়া মেয়ে ।এজন্য একটু অহম ও আসছে  ।রেজাল্ট বোর্ডে টাংগানো হল। সুপ্রিয়া ১ম বিভাগে পাশ করেছে। তার অতি উতসাহি বাবা খুশিতে মেয়েকে জড়িয়ে ধরলেন । মেয়ে ও খুশি ।বাড়ি ফিরতে ফিরতে তারা ২জন এ অনেক গল্প করল আর মিষ্টি কিন ল বাড়ির জন্য।  এর পর আর কিছুই হল না। আনন্দ মাটিকরে  দিয়ে সুপ্রিয়ার লাশ  পাওয়া গেল পাহাড়ের দুরবর্তি স্থানে । লাশের সাথে একটা চির কুট। লেখা আছে প্রতারনার শাস্তি!  বিস্ময়ে ...

অনিন্দ্যের মায়া

তার চোখ জোড়া দেখে থাকার মতই... কিন্তু আমি তার প্রেমে পড়তে চাই নাই আর প্রেমে পড়ে তাকে হারাবার ইচ্ছে ও আমার ছিল না। কিন্তু আমার ভাল লাগা ভাল বাসা এইসব যেন তার কাছে তুচ্ছ হয়ে যায় কোন এক অজানা কারনেই।  আমি অনিন্দ্য চক্রবর্তি।পেশায় উকিল। পাশাপাশি ব্যবসাও করি। আমি অবিবাহিত। আজ আমি আপনাদের আমারই কাহিনি শোনাব। সময়টা ধ্রুন কোন এক বস ন্তের বিকেলে। আমি কলকাতা থেকে সবে বাংলাদেশে এসেছি মাসির বাড়ি বেড়াতে। মাসি আর তার পরিবার বাংলাদেশে থাকেন । আমার মায়ের বাড়ি বাংলাদেশে। মুন্সি গঞ্জে, প্রায় দূর্গা পুজোয় তাই বাংলাদেশে আমার আর আমার পরিবারের বেড়াতে যাওয়া হয়। আমি কলকাতায় থেকে গেলেও পারতাম সেই বছর কিন্তু আমার মায়ের ইচ্ছে বাঙালি মেয়ে ঘরের বউ করে আনবেন। কলকাতার মেয়েরা নাকি ঘর করার মত নয় তাই তিনি খাটিঁ বাঙালি মেয়ে খুজেঁ দেখছেন। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই সেবার পুজোর আগেই বেড়াতে যাওয়া। আমার মায়ের সব জায়গাতেই একটু বাড়াবাড়ি কিন্তু এই ব্যাপারে আমি কিছুই বলতে পারব না কারন আমার মা ভীষন কষ্টে আমাকে মানুষ করেছেন। বাবা মারা যাবার পর আমাদের যে পারিবারিক এসেট ছিল তা প্রায় নিলামে উঠে যেত যদি না মা দেখভালের জন্য নিজে কিছু ন...

ভট ভটি ওয়ালা!!

চট্টগ্রামের এর  লাইফ স্কিল প্রোগ্রাম।  সবাই অংশ নিচ্ছিল  বলা যায় নিরবে হয়ে যাচ্ছে এমন ...সময় ২০১৫ এর জুন কি জুলাই মাস,সবাই ই খুবি ব্যস্ত   কারন অনেক দৌড় ঝাপ হয়ে গেল এই প্রোগ্রামের জন্য। হঠাতী এক মেয়ে লাল শাড়ী পড়া   অবস্থায় দৌড় দিল কেন তা দেখতে চোখ রেখে ছিল যারা তারা হাসছিল মেয়েটার পাগলামো দেখে, তার এক হাতে সেলফি তোলার জন্য রাখা স্মার্ট ফোন টার দিকে তাকিয়ে আছে একজন চেহারায় তীক্ষ দৃষিট যেন পারলে মার দেয় কেন সেলফি তুলছে!!!!!! মেয়েটা তোয়াক্কা না করেই ছবি তোলায় ব্যস্ত। একটু পর পর ক্লিক ক্লিক এর মাঝেই একজন আপা গোছের কেউ বলল এত ছবি কিউ?? নিজেকে দেখার জন্য... চপল উত্তর কন্যার। কন্যার নাম ও বেশ ,জুলি। বিদেশি বিদেশি ভাব কিন্তু সে এদেশি মানে বাঙ্গালি,কনের বাড়ী চট্টগ্রামে আর যিনি তার & আর চোখ রাঙ্গাচ্ছিল তিনি আর কেউ নয় গল্পের ভট ভটি ওয়ালা......আমাদের গল্পের নায়ক জুলি ... চটপটে হাসিখুশি একটা মেয়ে,সারা ঘর মাতিয়ে রাখতে এক্সপার্ট।বলা যায় ভীষন আনন্দে থাকতে ভাল্ বাসে,কাজ করছে লাইফ স্কিল এর একটা প্রোগ্রামে ............ প্রোগ্রামের মাঝে হটাত ই একটা আচমকা দমকা হ...

অব্যাক্ত ভাল বাসা

আজ আম রা প্রেম করছি কত বছর হল?? কেন?? প্রশ্ন হাবিবের...  তারা র দিকে  সুচা লো চোখে তাকায় সে... আমার ব্রেক চাই!!!  কি???? হাবিব লাফিয়ে উঠে বলল  কী বলছ তুমি?? পাগল তো হয়ে যাও নি...... তোমার মতন  ছেলের সাথে প্রেম করাটা আমার ভুল হয়ে গেছে...... তারার সহজ উত্তর। কেন??  কারন আমি ভেবেছিলাম তুমি দায়িতব হীন থাকবে নাহ কিন্ত গত ৪বছরে আমার এই  ভাবনা পালটে গেছে!!! তাই  আমি ঠিক করেছি আমার ব্রেক চাই......... হাবিব নিরু ত্তর ঘটনার কিছু বুঝে উঠার আগেই গালে একটা চড় যে বসে গেছে তা সে টের পেল  যখন বন্ধু রাফি তাকে প্রশ্ন করে কিরে তোকে এইরকম চিনহ দিয়ে গেল কে?? হাবিবের মন খারাপ প্রেমিকার হাতে মার তো খেয়েছেই তার উপর ব্রেক আপ!!!!! সে কিছুতেই এইটা মানতে পারছে নাহ!!!! কারন সে এমন কিছুই করেনাই যার কারনে তারা তার উপরে এইরকমখেপে গেছে।।অবশ্য আগেও এরকম হয়েছে কিন্তু আজকের টা সিরিয়াস............  হাবিব গালে চড় খেয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ছে কেন এমন করল তারা?? ............ ৭দিন পর......  হাবিবের গাল এর দাগ ভাল হয়েছে সে এখন তারার সাথে ফেস টু ফেস কথা বলতে চায়  ক...

না বলা কথা

কিছু না বলা কথা চশমাটা খুলে জানালায় পাশে ৫০ উর্ধ  এক মহিলা দাড়িয়ে আছেন,  বাইরে কিছু ছেলেরা ফুটবল খেলছিল। মহিলার নাম আফসানা হক। তার ৩ ছেলে। সবাই বিদেশে থাকেন। স্বামী আজিজুল হক মারা গেছেন আজ ১২ বছর্। সেই থেকেই তিনি একাই ছেলেদের মানুষ করেছেন।আজ অনেক সৃতির মাঝে চোখের সামনে ভেসে উঠছে একটা সৃতি ভার্সিটি জীবনের সৃতি জা তাকে আজও কাঁদায়    

কবিতার ভালোবাসা ......

কবিতার ভালোবাসা ........... সময়টা ১৯৭৭-৭৮ সালের। পাহাড় ঘেরা  chittagong  এ পড়তে আসা অনেক চিকিৎসকের মত পাস করে সবে ইন্টার্ন শুরু করতে যাবেন ডক্টর হিমেল। পড়তে পড়তে হয়ত  মায়া বসে গেছে এই শহরের ... বাকি সব দিনের মতই হাস্পাতালে রোগী  আর বইনিয়ে পড়ে থাকা এর সময় পেলে কিছু মেডিকেলি বন্ধু দের সাথে  গল্পে মশগুল থাকা এই ছিল জীবন। ভালই কাটছিল। আরেকদিকে......... 

একটি সকাল এবং এক টুকরো হাসি

একটি সকাল এবং এক টুকরো হাসি বাসর রাতে মেয়েটি স্পষ্ট স্বরে জানিয়ে দেয় – – এইযে শুনুন, আমি কিন্তু আপনাকে বিয়ে করতে চাইনি রাহাত বেশ ভদ্র, মার্জিত ছেলে। হাসিমুখে জবাব দেয় – – হ্যা, জানতাম। – তো বিয়ে করলেন কেন? – এমনি – শুনুন, রাগাবেন না! এমনি কোন কিছু হয় না, . রাহাত কি বলবে ভেবে পায় না। বিয়েটা ওর মায়ের ইচ্ছেতেই হয়েছে। মায়ের ইচ্ছের ওপর না বলতে পারেনি। রাহাত চুপ করে থাকে। ইতোমধ্যে মেয়েটি রেগে নাকের ডগা আর মুখ টকটকে লাল করে বসে আছে। – কি ব্যাপার! চুপ করে আছেন কেন? সোজাসুজি বলে দিচ্ছি, আমি আপনাকে ভালোবাসতে পারবো না! আর আপনি আমাকে মোটেও স্পর্শ করবেন না! .